ইথিওপীয় নেশার পাতার চালান আসছেই

একের পর এক চালান ধরা পড়লেও আফ্রিকার দেশ ইথিওপিয়া থেকে গাঁজা জাতীয় নেশার দ্রব্য আসা থামছে না।
RELATED STORIES
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক নজরুল ইসলাম সিকদার বলেন, “দুপুরে এনএসআইর তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের ফরেন পোস্ট অফিস থেকে মাদকগুলো জব্দ করা হয়।”
ইথিওপিথার আদ্দিস আবাবা থেকে জিহাদ মোহাম্মদ ইউসুফ নামের একজন জেট এয়ারওয়েজে করে দুইটি কার্টনে চালানটি পাঠিয়েছেন বলে জানান তিনি।
চালানটি এসেছে তেঁজগাওয়ের মনিপুরীপাড়ার একটি দোকানের ঠিকানায়।
পরে ওই দোকানের ঠিকানায় গিয়ে সেটি বন্ধ পান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।
এ ধরনের নেশাদ্রব্য বাংলাদেশে প্রথম ধরা পড়েছিল গত ৩১ অগাস্ট। সেদিন শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো গুদাম এবং শান্তিনগরের এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে আটশ কেজি নেশাদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।
এরপর ৮ সেপ্টেম্বর শাহজালালে আসা কয়েকটি কার্টন থেকে পাওয়া যায় আরও ১৬০ কেজি একই ধরনের নেশার পাতা। পরে আরো ১৪০ কেজির একটি চালান আটক করা হয়।
সবশেষ গত ১১ সেপ্টেম্বর এক হাজার ৬০০ কেজির একটি চালান ধরা পড়ে শাহজালালে।
মাদকদ্রব্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, কাথ শ্রেণিভুক্ত এক ধরনের উদ্ভিদ থেকে তৈরি এই নেশাদ্রব্য আফ্রিকার দেশগুলোতে বহু আগে থেকেই প্রচলিত। তবে ইদানিং বিভিন্ন দেশে হেরোইন বা ইয়াবার মতো মাদকের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে এই ভেষজ নেশার পাতা।
এ ধরনের বিকল্প নেশাদ্রব্যগুলোকে চিহ্নিত করা হচ্ছে ‘নিউ সাইকোট্রফিক সাবটেনসেস’ বা এনপিএস নামে।
শুকনো ওই নেশার পাতা মুখে নিয়ে চিবিয়ে আবার কখনও পানির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া হয়। ওই পাতায় থাকা ক্যাথিনোন ও ক্যাথিন অ্যালকালয়েড থাকে বলে ইয়াবার মতই নেশা হয়।
No comments